আজকের তারিখ : | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ভালুকায় হবিরবাড়ী হেল্পলাইনের উদ্যোগে ২০০ শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ভালুকায় পরিবেশ দূষণ রোধে শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ভালুকায় ফুটপাত দখলমুক্তে উচ্ছেদ অভিযান, স্বস্তি পথচারীদের আহবান- শফিকুল ইসলাম খান লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন আদ্-দ্বীনের হ্যাটট্রিক করে আলজেরিয়াকে একাই হারিয়ে দিলেন মেসি ভালুকা ওভারব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ, দ্রুত সংস্কারের দাবি স্কুলের গণ্ডি পেরোতে না পারলেও সিনেমার রানি শাবানা সন্তানদের নামে ইউনিয়নের নামকরণ করিনি, অলৌকিক মিলে গেছে: প্রতিমন্ত্রী স্পেনকে হতাশায় ডুবিয়ে প্রথম বিশ্বকাপেই অঘটন কেপ ভার্দের বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে ভালুকা হেল্পলাইনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে রুখে দিল মরক্কো, ১-১ গোলে ড্র শত শত কোটি টাকা খরচ করেও কেন নিয়ন্ত্রণে আসছে না ডেঙ্গু? ভালুকা সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ শাপলার জায়গায় দৃঢ় রয়েছি, অবশ্যই অর্জন করব: হাসনাত আবদুল্লাহ

বাসিন্দাদের চোখের সামনেই বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি

প্রতিবেদকের তথ্য : দৈনিক কালকথন
  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 6, 2026
  • সংবাদটি দেখেছেন: 158
ছবির ক্যাপশন : বাসিন্দাদের চোখের সামনেই বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি ও ফসলি জমি

চার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে এক রাতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন শেরপুর সদর উপজেলার গৃহিণী নাজমা বেগম (৪৬)। চোখের সামনে নিজেদের শেষ আশ্রয়স্থলটি নদীতে বিলীন হতে দেখেন। এই অবস্থায় কোথায় যাবেন, কী করবেন—কিছুই বুঝতে পারছেন না। এমন অসহায়ত্ব প্রকাশ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাগলঘর গ্রামের এই বাসিন্দা বলেন, ‘চোখের সামনে বসতবাড়ি ভাইঙ্গা নিল (ব্রহ্মপুত্র নদ), পোলাপান লইয়া কই যামু?’

আপাতত দিনমজুর স্বামী আবদুল্লাহ ও সন্তানদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন নাজমা। তবে ভবিষ্যতে কোথায় যাবেন, এই ভেবে চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। ব্রহ্মপুত্র নদে বসতভিটা হারানোর এই কষ্ট কিংবা অসহায়ত্ব শুধু নাজমা বেগমের একার নয়, চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাগলঘর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের একই দুর্দশা। পরিবারগুলোর অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তারা।চার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে এক রাতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন শেরপুর সদর উপজেলার গৃহিণী নাজমা বেগম (৪৬)। চোখের সামনে নিজেদের শেষ আশ্রয়স্থলটি নদীতে বিলীন হতে দেখেন। এই অবস্থায় কোথায় যাবেন, কী করবেন—কিছুই বুঝতে পারছেন না। এমন অসহায়ত্ব প্রকাশ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাগলঘর গ্রামের এই বাসিন্দা বলেন, ‘চোখের সামনে বসতবাড়ি ভাইঙ্গা নিল (ব্রহ্মপুত্র নদ), পোলাপান লইয়া কই যামু?’

আপাতত দিনমজুর স্বামী আবদুল্লাহ ও সন্তানদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন নাজমা। তবে ভবিষ্যতে কোথায় যাবেন, এই ভেবে চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। ব্রহ্মপুত্র নদে বসতভিটা হারানোর এই কষ্ট কিংবা অসহায়ত্ব শুধু নাজমা বেগমের একার নয়, চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাগলঘর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের একই দুর্দশা। পরিবারগুলোর অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তারা।চার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে এক রাতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হন শেরপুর সদর উপজেলার গৃহিণী নাজমা বেগম (৪৬)। চোখের সামনে নিজেদের শেষ আশ্রয়স্থলটি নদীতে বিলীন হতে দেখেন। এই অবস্থায় কোথায় যাবেন, কী করবেন—কিছুই বুঝতে পারছেন না। এমন অসহায়ত্ব প্রকাশ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাগলঘর গ্রামের এই বাসিন্দা বলেন, ‘চোখের সামনে বসতবাড়ি ভাইঙ্গা নিল (ব্রহ্মপুত্র নদ), পোলাপান লইয়া কই যামু?’

আপাতত দিনমজুর স্বামী আবদুল্লাহ ও সন্তানদের নিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন নাজমা। তবে ভবিষ্যতে কোথায় যাবেন, এই ভেবে চোখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। ব্রহ্মপুত্র নদে বসতভিটা হারানোর এই কষ্ট কিংবা অসহায়ত্ব শুধু নাজমা বেগমের একার নয়, চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাগলঘর গ্রামের প্রায় শতাধিক পরিবারের একই দুর্দশা। পরিবারগুলোর অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছে তারা।

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..